
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে ১১ দলীয় ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে বিজয়ী করতে একযোগে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ জোটের শরিক দলগুলো। এ লক্ষ্যে দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, মাঠপর্যায়ে যৌথ প্রচার ও ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ জোরদারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কর্ণফুলীর শিকলবাহা কলেজ বাজারে জামায়াতের উপজেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে পরিবর্তনের পক্ষে জনমত তৈরি হয়েছে এবং এই জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ১১ দলীয় ঐক্য সম্পূর্ণভাবে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী বলেন, “আমরা ১১ দলীয় ঐক্য এক ও অভিন্ন। স্বৈরাচার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে জনগণের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে যে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, তাতে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতির অবসান এবার নিশ্চিত হতে চলেছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জুবায়ের মানিক বলেন, জোটের ভেতরে যেকোনো ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটেছে এবং সকল শরিক দল এখন এক লক্ষ্যেই কাজ করছে। তিনি জানান, চট্টগ্রাম-৮ আসনসহ বিভিন্ন এলাকায় জোটের সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা হয়েছে এবং গণতন্ত্র রক্ষায় সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মাঠে থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতের আমীর মাস্টার মনির আফসার চৌধুরী প্রতিপক্ষ প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ধরে ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রলোভন ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতির রাজনীতি জনগণ আর মেনে নেবে না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারা উপজেলা জামায়াতের আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার আবদুল গণি, কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুর উদ্দিন জাহাঙ্গীর, বায়তুলমাল সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. হারুন, ব্যবসায়ী ফোরাম সভাপতি ইলিয়াছ মেম্বার, এনসিপি নেতা ইরফান, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, আবদুল আউয়াল রানা প্রমুখ।


