বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬

― Advertisement ―

spot_img

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানে মার্কিন অভিযান, বাড়ছে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই নতুন করে সামরিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গোরুক ও কেশম দ্বীপে বিমান হামলা চালিয়েছে...

নির্বাচন ঘিরে চলাচলে নিয়ন্ত্রণ, মোটরসাইকেলে তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশব্যাপী যান চলাচলের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের আগে ও পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে মোট তিন দিন সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কয়েক ধরনের যানবাহন চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব নির্দেশনার কথা জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ভোটগ্রহণের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

এ ছাড়া ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত টানা তিন দিন সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে বলে নির্দেশনায় জানানো হয়। নির্বাচনকালীন সময়ের নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানো, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ এবং অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

তবে গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি সেবার স্বার্থে কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত যানবাহন এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যান চলাচল এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। একই সঙ্গে জরুরি চিকিৎসাসেবা, ওষুধ পরিবহন, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও সংবাদপত্র পরিবহনকারী যানবাহনও চলাচল করতে পারবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বিমানবন্দরগামী যাত্রীদের ক্ষেত্রে টিকিট বা সংশ্লিষ্ট প্রমাণ দেখাতে পারলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এছাড়া দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন এবং দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও প্রয়োজন অনুযায়ী ছাড় দেওয়া হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি এবং তার নির্বাচনি এজেন্টের জন্য একটি ছোট আকৃতির যানবাহন রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে।

সাংবাদিক, নির্বাচন পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি নিয়ে মোটরসাইকেল বা যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন। টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহনকেও নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, স্থানীয় পরিস্থিতি ও বাস্তবতা বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন। ভোটের পরিবেশ নিরাপদ রাখতে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।