মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২৬

― Advertisement ―

spot_img

ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, কর্ণফুলীবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় ডেঙ্গুর ক্রমবর্ধমান সংক্রমণ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ওষুধের চেয়ে সচেতনতা,...

প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ প্রশাসন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় হাতির অত্যাচার থেকে মুক্তির দাবিতে আবারও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) ভোর থেকে দৌলতপুর স্কুল এলাকার পিএবি সড়ক ও আনোয়ারা উপজেলার সিইউএফএল সড়কের জাইল্লাঘাটা অংশ অবরোধ করেন তারা। ফলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, গত শনিবার (২২ মার্চ) কর্ণফুলীতে বন্য হাতির আক্রমণে তিন মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর পর তারা সড়ক অবরোধ করেছিলেন। তখন প্রশাসন তাদের চার দিনের মধ্যে স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিল। তবে সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা আবারও রাস্তায় নেমেছেন।

আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওয়াসিম আকরাম বলেন, “বন ও পরিবেশ উপদেষ্টা বা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কেউ আমাদের সামনে এসে জানাতে হবে, হাতির বিষয়টি কতদিনের মধ্যে সমাধান করা হবে। তবেই আমরা আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়াব।”মহাসড়কে অবস্থানরত বিক্ষোভকারীরা

এদিকে কর্ণফুলী ইকোনমিক জোন (কেপিজেড) এলাকায় হাতির হামলার ঘটনা নিয়ে কেপিজেড কর্তৃপক্ষকেও দায়ী করছেন স্থানীয়রা। তবে কেপিজেডের সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুশফিকুর রহমান বলেন, “এটি বৃহত্তর শিল্প এলাকা, এখানে হাতির কোনো অবস্থান থাকার কথা নয়। আমরা বন বিভাগকে বারবার চিঠি দিয়েছি, কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।”

সড়ক অবরোধ চলাকালে সেনাবাহিনীর দুটি টিম ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও সকাল ৮টা পর্যন্ত থানা পুলিশের কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে কর্ণফুলী জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) জামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনের দায়িত্ব উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের। তবে জনগণের দুর্ভোগ কমাতে আমরা প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন বারবার আশ্বাস দিলেও হাতির উৎপাত বন্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। তারা দাবি তুলেছেন, অবিলম্বে স্থায়ী সমাধান না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের পথে যাবেন।