
কর্ণফুলী উপজেলায় রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও জনসাধারণ। রোববার (৯ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় উপজেলার মইজ্জ্যারটেক চত্বরে আয়োজিত এ মানববন্ধনে অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।
গত ৫ মার্চ ব্যবসায়ী যুবক শহিদুল আলম জুয়েল (৩২) অপহরণের অভিযোগে কর্ণফুলী থানায় বিএনপি নেতা ও চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মঈন উদ্দিন, ব্যবসায়ী মো. আজাদসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করা হয় (মামলা নং ০৮)। এছাড়াও, জুলধা ইউনিয়নে তেল ব্যবসায়ী আব্দুল শুক্কুরের তেল চুরির ঘটনায় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের জড়িয়ে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। শহিদুল আলম জুয়েলের নিজস্ব বৈধ কোনো ব্যবসা নেই, তার অপহরণের বর্ণনায় নানা অসঙ্গতি রয়েছে। কর্ণফুলী থানা কীভাবে কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই সম্মানিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করল, তা খতিয়ে দেখা দরকার। এসব মামলা ফ্যাসিবাদী শক্তির চক্রান্ত, যারা দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আসন্ন নির্বাচনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ঠেকাতেই বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।”
বক্তারা আরও বলেন, “অপহৃত শহিদুল ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদক কারবার ও ভূমি দখলের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। অথচ, মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে, তাদের সঙ্গে ভুক্তভোগীর কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা এ মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছি, অন্যথায় থানা ঘেরাও সহ বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।”
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন চরপাথরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মির্জা মুহাম্মদ ইসমাইল। এতে আরও বক্তব্য রাখেন কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার হারুনুর রশিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মির্জা বাহার উদ্দিন, মো. ইসমাইল মির্জা, মোহাম্মদ সাদাত, মোহাম্মদ আলী, কর্ণফুলী উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইব্রাহিম, শ্রমিক দলের সভাপতি মো. সোলায়মান, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম জসীম উদ্দীন, কর্ণফুলী নদী সম্পদ মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি এসএম পিয়ার আলী, সহ-সভাপতি জাফর আহমদ, শাহিনুর আকতারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।




