বুধবার, আগস্ট ৫, ২০২৬

― Advertisement ―

spot_img

চট্টগ্রামের উত্তাল রাজপথ: গণঅভ্যুত্থানের দিনগুলোর ফিরে দেখা

একটি শহর। একের পর এক দীর্ঘ মিছিল। মুহূর্তেই থমকে যাওয়া ব্যস্ত সড়ক। বাতাসজুড়ে স্লোগানের প্রতিধ্বনি, মানুষের উদ্বেগ আর অনিশ্চয়তার ছাপ। যে চট্টগ্রাম প্রতিদিন বন্দর,...

চন্দনাইশে ভাগনিকে হত্যার পর খালা-খালুকে জবাইয়ের চেষ্টা

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে আপন ভাগনিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে হত্যা করেছে নাজিম উদ্দীন (২৮) নামে এক যুবক। এসময় চিৎকার শুনে বাঁচাতে আসলে খালা ও খালুকেও জবাই করে হত্যার চেষ্টা চালায় সে। মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে চন্দনাইশ পৌরসভার দক্ষিণ গাছবাড়িয়া নয়াপাড়া এলাকায়।

নিহত কলেজছাত্রী আরজু আক্তার (২০) চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া এলাকার বাসিন্দা এবং পড়াশোনা করছিলেন স্থানীয় একটি কলেজে। কয়েকদিন আগে তিনি নানাবাড়ি বেড়াতে আসেন। একই সময় তার খালাতো ভাই নাজিম উদ্দীনও খালার বাড়িতে বেড়াতে এসে আরজুকে লক্ষ্য করে বিকৃত মানসিকতা পোষণ করতে থাকে।

পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার রাতে আরজু প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাথরুমে গেলে নাজিম সুযোগ বুঝে সেখানে প্রবেশ করে। এরপর সে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। আরজু বাধা দিলে তার মুখে কাপড় গুঁজে এবং ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। আরজুর চিৎকার শুনে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তার খালা ফরিদা বেগম (৬০) এবং খালু আবদুল হাকিম (৭৫)-এর ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে জবাই করার চেষ্টা করে নাজিম।

তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে নাজিম পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় ফরিদা ও হাকিমকে উদ্ধার করে প্রথমে চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ফরিদা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চন্দনাইশ থানার ডিউটি অফিসার এসআই আমিনুল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে নাজিম ধর্ষণ চেষ্টার পর ভাগনিকে হত্যা করেছে এবং পরে খালা-খালুকে হত্যাচেষ্টা চালিয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামি ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং স্থানীয়দের মাঝে নাজিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে।