
কর্ণফুলী থানাধীন চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ইছানগর এলাকায় শ্যালিকাকে উত্যক্তের অভিযোগে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী পরিবার জানায়, অভিযুক্ত মো. ফারুক (২৮) তাদের বড় জামাই, যিনি মাঝেমধ্যেই শ্বশুরবাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন। ভিকটিমের পরিবার অভিযোগ করেছে যে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাদের মেঝ মেয়েকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করছিলেন। ৯ মার্চ রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে ভিকটিম নিজ ঘরে ঘুমিয়ে থাকার সময় অভিযুক্ত ফারুক সেখানে প্রবেশ করে এবং তাকে শারীরিকভাবে স্পর্শ করার চেষ্টা করে। শোরচিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ১০ মার্চ বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়রা ফারুককে আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয় এবং আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা কর্ণফুলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়-আটক ফারুক (২৮) তার শ্যালীর শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিলে পাশ্ববর্তী বাড়ির মহিলা মব সৃষ্টি করে ছেলেকে আটক করে উত্তম মাধ্যম প্রহার করে পুলিশকে সংবাদ দেয় ঘটনাস্থল থেকে ভিকটিম ও দুলাভাইকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে, মামলা প্রক্রিয়াধীন।
কর্ণফুলী থানার ওসি মুহাম্মদ শরীফ জানান, প্রাথমিক তদন্তে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাটির প্রকৃত সত্য উদঘাটনে কাজ করছে।



