
সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-নেত্রীদের অফিসিয়াল আমন্ত্রণপত্র প্রেরণ শুরু করে। মোট ৪৯ জন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য এই আমন্ত্রণ পেয়েছেন। এর মধ্যে পূর্ণ মন্ত্রী ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন। শপথ অনুষ্ঠান একইদিন বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের হাতে শপথ পড়াবেন।
পূর্ণ মন্ত্রীর পদে শপথ গ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আওয়াল মিন্টু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আমিনুর রশিদ (টেকনোক্র্যাট), আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের সুমন, দিপেন দেওয়ান, আনম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম এবং শেখ রবিউল আলম।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ এবং আলী নেওয়াজ খৈয়াম।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, শপথগ্রহণের পর নতুন মন্ত্রিসভা সরকারি কার্যক্রম গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে দায়িত্বভার গ্রহণ করবে। বিশেষত দেশব্যাপী প্রশাসনিক কার্যক্রম, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত দায়িত্ব নতুন মন্ত্রিসভার হাতের মধ্যে নিযুক্ত হবে। শপথ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে এবং এটি দেশবাসীর কাছে স্থিতিশীলতা ও কার্যকর প্রশাসনের বার্তা হিসেবে গণ্য হবে।



