সোমবার, এপ্রিল ২০, ২০২৬

― Advertisement ―

spot_img

শিশুদের সুরক্ষায় কর্ণফুলীতে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শুরু হয়েছে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৯টায় চরলক্ষ্যা এলাকার স্টুডেন্ট...

সঙ্কীর্ণ রাস্তায় আগুন নেভাতে বিলম্ব, বেড়েছে ক্ষয়ক্ষতি

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের শাহ অহিদিয়া পাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) রাত ৩টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ তিনজন দগ্ধ হন, যাদের মধ্যে দুই ভাইকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. সাইদুজ্জামান জানান, “অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে রওনা দিই। কিন্তু এলাকার রাস্তাগুলো অত্যন্ত সঙ্কীর্ণ হওয়ায় আমাদের গাড়ি পৌঁছাতে বিলম্ব হয়। ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ঘরগুলো সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়। প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই।”

দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন ইব্রাহিম (৫০), তার ভাই মো. শফিক (৪৭) এবং তাদের মা লায়লা বেগম (৭০)। চিকিৎসকদের মতে, ইব্রাহিম ও শফিকের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে এবং তাদের জরুরি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। লায়লা বেগম প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন।

অগ্নিকাণ্ডে ঘর হারানো ছয়টি পরিবার হলো—ইব্রাহিম, শফিক, ইসহাক (৪০), শুক্কুর (৫০), মনা মিয়া (৪৮) ও কালাম (৫০)। ঘর ছাড়াও নগদ অর্থ, আসবাবপত্র ও গৃহপালিত পশুর খাদ্যসামগ্রী পুড়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৩৬ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

ঘটনার বর্ণনায় দগ্ধ শফিক বলেন, “রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ আগুনের তাপে ঘুম ভাঙে। দেখি চারদিকে আগুন। আমরা গরু বের করতে গিয়ে দগ্ধ হই।”

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবু তালেব জানান, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে। এখনো তারা কোনো সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা পায়নি। দ্রুত সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে।”