
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৫ আগস্ট ২০২৫) আসরের নামাজের পর কর্ণফুলী এ.জে চৌধুরী ডিগ্রী কলেজ মসজিদ প্রাঙ্গণে এই মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য এস এম মামুন মিয়া এবং সঞ্চালনা করেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য কর্ণফুলী বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব হাজী মো. ওসমান।
দোয়া মাহফিলে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সালেহ জহুর, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল গফুর মেম্বার, সোলাইমান দোভাষী, আব্দুল কাদের সুজন, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু তৈয়ব কন্টাক্টর, ইদ্রিস হায়দার, কাজী মঈন উদ্দীন টিপু, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, মো. সালাউদ্দিন, সেলিম খান, দক্ষিণ জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক মামুনুর রশীদ, কর্ণফুলী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. ফারুক, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম শামিম, কর্ণফুলী উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি তৈয়বুল আলম আংকুর, সাধারণ সম্পাদক মনির উদ্দিন এবং দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল নেতা শাখাওয়াত হোসেন মিশু।
দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশের কল্যাণ কামনা করা হয়। বক্তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক অগ্রণী যোদ্ধা। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপি এবং দেশের মানুষ দীর্ঘ সময় সংগ্রাম করেছে। বক্তারা আরও বলেন, আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা তাঁর দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘ জীবন কামনা করছি এবং দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
১৯৪৫ সালের এই দিনে দিনাজপুর জেলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বেগম খালেদা জিয়া। যদিও তাঁর পৈতৃক নিবাস ফেনীর ফুলগাজীতে, তবে শৈশব-কৈশোর কেটেছে দিনাজপুরে বাবার কর্মস্থলে। তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে অধ্যয়ন করেন। ১৯৬০ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বাবা ইস্কান্দার মজুমদার ও মা তৈয়বা মজুমদার দম্পতির তৃতীয় সন্তান এবং দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছেন।



