রবিবার, এপ্রিল ১৯, ২০২৬

― Advertisement ―

spot_img

কর্ণফুলীতে ফুটবল উৎসব, জমজমাট আয়োজনে গোল্ড কাপ টুর্নামেন্ট শুরু

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে “চরলক্ষ্যা আন্তঃ শহীদ জিয়া গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬”। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে...

নতুন সরকারের শপথ মঙ্গলবার, আমন্ত্রিত ভারত-পাকিস্তানসহ ১৩ দেশ

ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার এ উপলক্ষে বিশ্বের ১৩টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, যা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আমন্ত্রিত দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তান ছাড়াও চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান। এই আমন্ত্রণের মাধ্যমে নতুন সরকার আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্পর্ক জোরদারের বার্তা দিচ্ছে বলে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

তবে আমন্ত্রণ পেলেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শপথ অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত থাকবেন না বলে জানা গেছে। ওই সময় তার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ-এর সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠক রয়েছে। তার পরিবর্তে ভারতের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর অথবা ভাইস প্রেসিডেন্ট সিপি রাধাকৃষ্ণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ-কেও আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এদিকে নতুন সরকারের নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি ইতোমধ্যে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। জানা গেছে, সম্প্রতি তারেক রহমান ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়েছে, যেখানে মোদি তাকে অভিনন্দন জানান এবং দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতির দিকনির্দেশনার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

নতুন সরকারের এই শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্ব কীভাবে আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষা করবে, তা এখন কূটনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।