
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানাধীন চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের আজিমপাড়া খোয়াজনগরে অবস্থিত আয়ুব বিবি সিটি করপোরেশন স্কুল ও কলেজ প্রাঙ্গণে আজ (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) অনুষ্ঠিত হয়েছে “তারুণ্যের উৎসব ২০২৫”। এই উৎসবের মূল আয়োজন ছিল বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, পিঠা উৎসব এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও ক্রীড়ানৈপুণ্যকে উৎসাহিত করতে এই আয়োজনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মাননীয় মেয়র ও আয়ুব বিবি সিটি করপোরেশন স্কুল ও কলেজের সভাপতি জনাব ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে ক্রীড়া ও সংস্কৃতির ভূমিকা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ডায়মন্ড সিমেন্ট লিমিটেডের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল ও আয়ুব বিবি সিটি করপোরেশন স্কুল ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা জনাব লায়ন মোহাম্মদ হাকিম আলী।
উক্ত আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন শিক্ষা কর্মকর্তা (উপ-সচিব) জনাব ড. চিকিনজা চাকমা, কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জনাব মোহাম্মদ শরীফ, আয়ুব বিবি সিটি করপোরেশন স্কুল ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, ডায়মন্ড সিমেন্ট লিমিটেডের পরিচালক জনাব আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ, কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জনাব এস এম মামুন মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব ডা. গিয়াস উদ্দিন ফারুকী ফয়সাল এবং সদস্য সচিব জনাব হাজী মোহাম্মদ ওসমান সহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও পিঠা উৎসব। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখে এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পিঠা উৎসবে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন ধরনের পিঠা প্রদর্শন করা হয়, যা অতিথি ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীরা নাচ, গান ও নাটক পরিবেশন করে যা পুরো অনুষ্ঠানকে আনন্দময় করে তোলে।
এই আয়োজনকে ঘিরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আনুমানিক ৬০০-৭০০ জন অতিথি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিকেল ৫:৩০ মিনিটে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয় এবং সার্বিক নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি নিশ্চিত করা হয়। আয়োজকরা জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকে জাগিয়ে তুলতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।



